| | |

চট্টগ্রাম

যত্রতত্র ময়লা ফেললে দোকানদারদের জরিমানা করা হবে: চসিক প্রশাসক

চট্টগ্রাম নগরে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেললে সংশ্লিষ্ট দোকানদারদের জরিমানার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার (১ নভেম্বর) নগরের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যারিস্টার সোলতান আহমেদ কলেজ রোড পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে তিনি এলাকার সড়ক ও নালা-নর্দমার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং চলমান উন্নয়নকাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সড়কে পড়ে থাকা খননকৃত মাটি অপসারণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরের সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব শুধু সিটি করপোরেশনের নয়, নাগরিকদেরও নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক দোকানদারকে নিজস্ব ডাস্টবিন রাখতে হবে। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিদিন রাত ১১টায় ময়লা সংগ্রহ করতে আসেন। এরপরও দোকানের সামনে যত্রতত্র ময়লা ফেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও জানান, অতিবৃষ্টির কারণে এ বছর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি নগরের বিভিন্ন খালে উন্নয়ন ও খননকাজ চলায় কিছু এলাকায় পানি চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটছে।

সমস্যা সমাধানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (সিডিএ) সড়কে পড়ে থাকা খননকৃত মাটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনের কাজও দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নালা থেকে মাটি-বর্জ্য অপসারণে প্রয়োজনে অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ করা হবে বলে জানান তিনি।

দোকানদারদের উদ্দেশে প্রশাসক বলেন, প্রত্যেক দোকানের সামনে একটি করে ময়লা ফেলার ঝুড়ি রাখতে হবে। কোনো দোকানের সামনে ময়লা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট দোকানদারকে জরিমানা করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হবে।

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডাবের খোসা, প্লাস্টিক ও পলিথিনসহ বিভিন্ন বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বাড়ে।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ক্যাটাগরি