আইয়ারের সেঞ্চুরিতে ভারতের বড় জয়
অভিষিক্ত নমান ধীরের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত।
ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ৩২ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।
টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ মায়াঙ্ক যাদবকে চার-ছক্কায় আক্রমণ করে দ্বিতীয় ওভারেই ১৬ রান তুলে নেন। তবে পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ক্যারিবীয়রা।
অর্শদীপ সিংয়ের বলে ১১ বলে ১২ রান করে ফেরেন কামিল পুরান। এরপর শিমরন হেটমায়ার ৫ রান করে রানআউট হন। রোভম্যান পাওয়েলকে ফিরিয়ে দেন অক্ষর প্যাটেল। ফলে পাওয়ারপ্লে শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৪ রানে ৩ উইকেট।
এরপর হাল ধরেন শাই হোপ ও শেরফাইন রাদারফোর্ড। চতুর্থ উইকেটে দুজন মিলে ৬৩ রান যোগ করেন। ৩৭ বলে ছয় চার ও দুই ছক্কায় ৫২ রান করেন হোপ। অভিষিক্ত নমান ধীরের বলে তার ইনিংসের সমাপ্তি হয়।
হোপ ফেরার পর আবারও দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নমান ধীর ও কুলদীপ যাদবের স্পিনে চাপে পড়ে ক্যারিবীয় ব্যাটিং। তবে একপ্রান্তে ঝড় তোলেন রাদারফোর্ড। ৩৪ বলে ছয় চার ও তিন ছক্কায় ৫৬ রান করেন তিনি।
মায়াঙ্ক যাদবের বলে রাদারফোর্ড ফেরার পর দ্রুত শেষ হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস। শেষ দিকে আকিল হোসেনের ৯ বলে ১৫ রানের ইনিংসে ১৭১ রানে পৌঁছায় তারা।
ভারতের হয়ে অভিষিক্ত নমান ধীর ৩১ রানে তিনটি উইকেট নেন। কুলদীপ যাদব ও অক্ষর প্যাটেল নেন দুটি করে উইকেট।
১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে চাপে পড়ে ভারতও। ১০ বলে ২১ রান করে ফেরেন অভিষেক শর্মা। এরপর ১১ রান করে আউট হন সাঞ্জু স্যামসন। ফলে ৩৫ রানেই দুই উইকেট হারায় ভারত।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেন শ্রেয়াস আইয়ার ও ইশান কিশান। তৃতীয় উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৬৭ বলে ১৩৭ রান যোগ হয়।
শ্রেয়াস আইয়ার মাত্র ৪২ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৪৩ বলে ১০ চার ও ছয় ছক্কায় ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ইশান কিশান অপরাজিত থাকেন ২৭ বলে ৩৭ রান করে।